তিনি বলেন, বাংলাদেশ তার জ্বালানি চাহিদার একটি বড় অংশ আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরশীল।
এ সময়কে একটি ‘ট্রানজিশন পিরিয়ড’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সমস্যার কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান নেই।
মন্ত্রী আরও বলেন, আগামী বছরের মধ্যে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করার কাজ শেষ হবে। একই সময়ে সিলেট-চট্টগ্রাম সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পও সম্পন্ন হবে। পাশাপাশি আখাউড়া-সিলেট রেলপথের কাজ শেষ হওয়ার সময়ই সিলেট-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়নকাজও সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে পণ্যবাহী ও কনটেইনারবাহী ট্রেন চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা তরুণ প্রজন্মের সামাজিক শক্তি যেন কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ারে পরিণত না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। এই তারুণ্যশক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়েই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
আলোচনার শুরুতে মন্ত্রী জুলাই আন্দোলনকে স্মরণ করে বলেন, ছাত্র-জনতা, স্কুলশিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে এ আন্দোলন ব্যাপক গতি লাভ করেছিল, যার ফলে একটি শক্তিশালী সামাজিক জাগরণের সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ বছরের ব্যবধানে একই জাতি দ্বিতীয়বারের মতো গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে জেগে উঠেছে, যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল দৃষ্টান্ত।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। এতে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম আব্দুল মালিক, সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি, সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া অনুষ্ঠানে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারাও উপস্থিত ছিলেন।







