সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে ৫৬ বোতল ‘কোরেক্স’ সিরাপসহ দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।
মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান।
সোমবার বিকালে সদর উপজেলার বকচরা বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে রাতে জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই মো. সরোয়ার হোসেন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার দুই পুলিশ সদস্য হলেন- মোস্তাইন বিল্লাহ (৩০) এবং নাজমুল ইসলাম (২৮)। মোস্তাইন সাতক্ষীরা পুলিশের এসএফ শাখায় কর্মরত। এর আগে তিনি জেলা গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। আর নাজমুল ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত।
মোস্তাইন খুলনার তেরখাদা উপজেলার পানতিতা গ্রামের অহিদ মোল্লার ছেলে এবং নাজমুল মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার ভাতুয়াডাঙা গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদ মৃধার ছেলে।
মামলায় বলা হয়েছে, মোস্তাইন ও নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। গোপন খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ অভিযান চালিয়ে বকচরা মোড়ের পাশে আসাদুলের চায়ের দোকানের সামনে থেকে একটি অ্যাপাচি মোটরসাইকেল ও ৫৬ বোতল কোরেক্স সিরাপসহ তাদেরকে আটক করে।
এর মধ্যে দুই বোতল সিরাপ মোস্তাইনের পকেটে এবং ৫৪ বোতল মোটরসাইকেলের হুকে ঝোলানো একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে পাওয়া যায়।
পুলিশের দাবি, মোস্তাইন ও নাজমুল দীর্ঘদিন ধরে শহরের সার্কিট হাউস মোড় এলাকার একটি দোকানে বসে মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
সম্প্রতি পুলিশের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে মোস্তাইনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করে তা বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। এ কাজে মোস্তাইনকে এক দোকানি সহযোগিতা করতেন বলে মামলা বলা হয়েছে।
ওসি মাহমুদুর রহমান বলেন, আটকের পর রাতেই দুইজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।







