ইপেপার
দৈনিক অর্থনীতি
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও
No Result
View All Result
দৈনিক অর্থনীতি
No Result
View All Result
Home Uncategorized

চট্টগ্রাম বন্দরের ৪০ শতাংশ সক্ষমতা আটকে আছে পুরোনো কনটেইনারে

August 3, 2026
0 0
0
চট্টগ্রাম বন্দরের ৪০ শতাংশ সক্ষমতা আটকে আছে পুরোনো কনটেইনারে

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দর। অথচ এই বন্দরেই দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা আমদানিকৃত পণ্য ও কনটেইনারের স্তূপ এখন বন্দর পরিচালনার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করেছে। বছরের পর বছর ধরে নিষ্পত্তি না হওয়া এসব পণ্য বন্দরের ইয়ার্ডের বড় একটি অংশ দখল করে রাখায় স্বাভাবিক পণ্য ওঠানামা ও কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) তথ্য বলছে, গত ৩০ জুন পর্যন্ত বন্দরের ইয়ার্ডে ৯ হাজার ৩৩০ টিইইউ কনটেইনার দীর্ঘদিন ধরে পড়ে ছিল। এসব কনটেইনার ইয়ার্ডের মোট জায়গার প্রায় ২২ শতাংশ দখল করে আছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাবে, দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য পণ্য ও কনটেইনার সরিয়ে ফেলতে পারলে একই অবকাঠামো ব্যবহার করেই বন্দরের পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৪০ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব।

ব্যবসায়ী ও বন্দরসংশ্লিষ্টদের হিসাব আরও উদ্বেগজনক। তাদের ধারণা, দীর্ঘসূত্রতা ও বিভিন্ন ধরনের আইনি জটিলতায় বন্দরে পড়ে থাকা বাণিজ্যিক পণ্যের মূল্য ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। এর সঙ্গে শিপিং কোম্পানির কনটেইনার ক্ষতি, জমে থাকা স্টোরেজ মাশুল এবং অন্যান্য আর্থিক ক্ষতি যুক্ত করলে মোট ক্ষতির পরিমাণ ৫০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এনবিআরকে চিঠি বন্দর কর্তৃপক্ষের

দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পণ্য নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ২ জুলাই সিপিএর চীফ পারসোনেল অফিসার ও ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন এনবিআর চেয়ারম্যানকে চিঠিটি দেন।

চিঠিতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ইয়ার্ডে পড়ে থাকা কনটেইনার ও পণ্যের কারণে বন্দর বিপুল পরিমাণ জায়গা হারাচ্ছে। এসব পণ্যের বিপরীতে বকেয়া স্টোরেজ চার্জ ইতোমধ্যে ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। প্রায় ১০০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ এই অর্থ আদায় করার পাশাপাশি জায়গাগুলো দ্রুত খালি করা গেলে বন্দরের রাজস্ব আয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারের নতুন করে বড় কোনো বিনিয়োগ ছাড়াই শুধু নিলামযোগ্য ও পরিত্যক্ত পণ্য সরিয়ে ফেলতে পারলে বর্তমান অবকাঠামোর মধ্যেই প্রায় ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত পণ্য ও কনটেইনার পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে বন্দরের সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমেও গতি ফিরবে।

ইয়ার্ডে পড়ে আছে লাখের বেশি প্যাকেজ

বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ডে শুধু কনটেইনারই নয়, বিপুল পরিমাণ খোলা ও এলসিএল পণ্যও পড়ে রয়েছে। বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইয়ার্ডে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৯৯ প্যাকেজ এলসিএল কার্গো রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ৬ হাজার ৭৯২ প্যাকেজ বাল্ক কার্গো এবং ৭৭৫ প্যাকেজ ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক পণ্য।

এসব পণ্যের কিছু ২৩ বছর পর্যন্ত সময় ধরে বন্দরে পড়ে আছে। দীর্ঘদিনের কারণে অনেক পণ্য নষ্ট হয়ে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গেছে। বিপজ্জনক রাসায়নিক ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ পণ্য দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে থাকায় নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বন্দর ব্যবহারকারীদের হিসাব অনুযায়ী, আটকে থাকা পণ্যের মূল্য ২০০ কোটি ডলারের বেশি। দীর্ঘদিন কনটেইনার আটকে থাকায় শিপিং কোম্পানিগুলোর ক্ষতি প্রায় ১৫০ কোটি ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বন্দরের বকেয়া স্টোরেজ মাশুল প্রায় ১০০ কোটি ডলার। এর সঙ্গে কাস্টমসের সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি যোগ হলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।

জাহাজের অবস্থানকালও বাড়ছে

বন্দরের ইয়ার্ডে জায়গার সংকট তৈরি হওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে জাহাজ পরিচালনাতেও। পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামানো এবং নতুন পণ্য ওঠানোর কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। ফলে জাহাজকে বন্দরে অবস্থান করতে হচ্ছে বেশি সময়।

এ ছাড়া বার্থের অপেক্ষায় বহির্নোঙরে জাহাজকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের সময় ও ব্যয় উভয়ই বাড়ছে। আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছেও চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা নিয়ে নেতিবাচক বার্তা যাচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, নিলামযোগ্য পণ্য দ্রুত সরিয়ে ফেলা গেলে শুধু ইয়ার্ডের জায়গাই খালি হবে না, একই সঙ্গে জাহাজ ও কনটেইনার ব্যবস্থাপনার গতিও বাড়বে।

কেন বছরের পর বছর পড়ে থাকে পণ্য?

বন্দর ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পণ্য পড়ে থাকার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।

কাস্টমসের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব, পণ্যের মূল্য নিয়ে বিরোধ, অতিরিক্ত কাগজপত্রের প্রয়োজনীয়তা, মামলা ও রিট, বিভিন্ন সংস্থার ছাড়পত্রের অপেক্ষা এবং নিলাম প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা—এসব কারণে অনেক চালান দ্রুত নিষ্পত্তি হয় না।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আমিরুল হক বলেন, কাস্টমসের মূল্যায়ন শেষ হতে অনেক সময় আট থেকে দশ দিন লেগে যায়। অথচ চার দিন পর থেকেই কনটেইনারের ওপর ডেমারেজ বা বিলম্ব মাশুল আরোপ শুরু হয়। ফলে পণ্য খালাসের আগেই আমদানিকারকের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়।

তার মতে, এভাবে বিলম্বিত খালাসের কারণে ব্যবসায়ীদের মূলধন আটকে থাকে। পাশাপাশি কাঁচামাল ও প্রয়োজনীয় পণ্য বাজারে পৌঁছাতে দেরি হয় এবং দীর্ঘ সময় বন্দরে থাকলে পণ্যের গুণগত মানও নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সহ-সভাপতি খায়রুল আলম সুজন বলেন, আমদানির জন্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হলেও পণ্য বন্দরে বছরের পর বছর পড়ে থাকা অর্থনীতির জন্য বড় অপচয়। দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় অনেক পণ্য কার্যকারিতা হারায় এবং কনটেইনারও শিপিং কোম্পানির জন্য আর্থিক বোঝায় পরিণত হয়।

৬০০টির বেশি মামলা জটিলতায়

কাস্টমস কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, বন্দরে আটকে থাকা বিপুল সংখ্যক কনটেইনারের মধ্যে অনেকগুলো আদালতের মামলার কারণে নিষ্পত্তি করা যাচ্ছে না। ৬০০টিরও বেশি মামলা বিচারাধীন থাকায় সংশ্লিষ্ট কনটেইনার নিলামে তোলা বা ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না।

তবে বন্দর কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, নিলামযোগ্য ও পরিত্যক্ত পণ্য দ্রুত সরানোর বিষয়ে তারা একাধিকবার কাস্টমসকে চিঠি দিয়েছে। তারপরও অনেক ক্ষেত্রে বছরের পর বছর কোনো কার্যকর নিষ্পত্তি হয়নি।

বন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, নিলামযোগ্য পণ্য তারা কাস্টমসের কাছে হস্তান্তর করেছে। ফলে এসব পণ্যের চূড়ান্ত নিলাম বা ধ্বংসের দায়িত্ব এখন কাস্টমসের।

বাজার ও ব্যবসায় প্রভাব

বন্দরে দীর্ঘদিন পণ্য আটকে থাকার প্রভাব শুধু বন্দরেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। আমদানিকারকের মূলধন আটকে যাওয়ায় ব্যবসার খরচ বাড়ছে। কাঁচামাল সময়মতো কারখানায় না পৌঁছালে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আবার খাদ্য ও ভোগ্যপণ্যের ক্ষেত্রে বিলম্বিত খালাস সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি করছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, কনটেইনারের ডেমারেজ, স্টোরেজ চার্জ ও অন্যান্য অতিরিক্ত ব্যয় শেষ পর্যন্ত পণ্যের মূল্যের সঙ্গে যুক্ত হয়। ফলে এর চাপ গিয়ে পড়ে ভোক্তার ওপর।

চট্টগ্রাম চেম্বারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন দ্রুত নিলামযোগ্য পণ্য নিষ্পত্তি এবং আইনি জটিলতায় আটকে থাকা চালানের দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছে।

৬ হাজার ৪৪০ ডলারের পণ্যে ২২ হাজার ডলারের মাশুল

বন্দরে পণ্য আটকে থাকার আর্থিক ক্ষতির একটি উদাহরণ পাওয়া যায় ‘ওয়ার্দা অ্যান্ড জুবায়ের ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’-এর ক্ষেত্রে।

বিডায় নিবন্ধিত এই প্রতিষ্ঠানটি হিমায়িত খাদ্য উৎপাদনের জন্য গত ৪ মে একটি কনটেইনারে রক সল্ট বা বিট লবণ আমদানি করে। চালানটির মূল্য ছিল ৬ হাজার ৪৪০ মার্কিন ডলার।

পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় ২৩ মে প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে যোগাযোগ করে। কাস্টমসের পক্ষ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তিপত্র প্রয়োজন বলে জানানো হয়। বিষয়টি নিয়ে আমদানিকারক আপত্তি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করে।

আদালত সাত দিনের মধ্যে পণ্য খালাসের নির্দেশ দিলেও কনটেইনারটি ইয়ার্ড থেকে বের হয়নি। পরবর্তীতে আদালত অবমাননার প্রক্রিয়াও শুরু হয়।

প্রতিবেদন তৈরির সময় পর্যন্ত ওই চালানের ডেমারেজ ও অন্যান্য চার্জ প্রায় ২২ হাজার ডলারে পৌঁছায়। অর্থাৎ পণ্যের ঘোষিত মূল্যের তুলনায় বাড়তি মাশুল তিন গুণেরও বেশি।

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি কাস্টমস কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ তুললেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি অস্বীকার করেছে।

কনটেইনার দীর্ঘ সময় বন্দরে আটকে থাকলে শুধু আমদানিকারক বা বন্দর নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় শিপিং কোম্পানিও। একটি কনটেইনার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবার আন্তর্জাতিক নৌপথে ব্যবহার করতে না পারায় কোম্পানির আয় কমে যায়।

রিফার বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনার হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখতে অতিরিক্ত ব্যয়ও হয়। দীর্ঘ সময় পড়ে থাকার কারণে কনটেইনারের ব্যবহারযোগ্য আয়ুষ্কাল কমে এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয়ও বাড়ে।

বিপজ্জনক পণ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকি

দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিক ও দাহ্য পণ্য নিয়ে আরও বড় উদ্বেগ রয়েছে। এসব পণ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনা ছাড়া দীর্ঘ সময় ইয়ার্ডে থাকলে অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

বন্দর ব্যবহারকারীদের মতে, দীর্ঘদিন অরক্ষিত অবস্থায় থাকা পণ্য চুরি বা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার আশঙ্কাও তৈরি করে। ফলে বিষয়টি শুধু অর্থনৈতিক নয়, বন্দর নিরাপত্তা ও পরিবেশের সঙ্গেও সম্পর্কিত।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের মুখপাত্র শরীফ আল আমিন বলেন, বন্দরে পড়ে থাকা প্রতিটি কনটেইনার আইন অনুযায়ী নিলামে তোলা যায় না।

তার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ হাজার ৬৩০টি কনটেইনার নিলামের জন্য আইনগতভাবে উপযুক্ত ছিল। ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই পর্যন্ত ১ হাজার ৯৮টি কনটেইনার নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। একই সময়ে ৫৪টি কনটেইনারের পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে এবং আরও ১৩২টি কনটেইনার ধ্বংসের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

কাস্টমসের সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যবসায়ীদের বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য স্বাধীন একটি রিভিউ প্যানেল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন সচেতন নাগরিক কমিটির (সনাক) চট্টগ্রাম নগর শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট আখতার কবীর চৌধুরী।

তার প্রস্তাব অনুযায়ী, কোনো পণ্য খালাসে কাস্টমস আপত্তি জানালে বিষয়টি এক দিনের মধ্যে ওই প্যানেলে পাঠানো যেতে পারে। এরপর দ্রুত শুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত দেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। এতে সরকারি কর্মকর্তা, এনবিআর, বন্দর কর্তৃপক্ষ, সুশীল সমাজ এবং স্বাধীন আইন বিশেষজ্ঞদের প্রতিনিধিত্ব রাখার কথা বলা হয়েছে।

তিনি আরও চট্টগ্রাম ও ঢাকায় পৃথক কাস্টমস বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন, যাতে রিভিউ প্যানেলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়।

ShareTweetPin
Previous Post

দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

Next Post

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

Related Posts

রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না গ্যাস, চট্টগ্রামে দীর্ঘ গ্যাস সংকট
Uncategorized

রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না গ্যাস, চট্টগ্রামে দীর্ঘ গ্যাস সংকট

August 3, 2026
0
আনোয়ারায় দূর্ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩ দফা দাবিতে মানবন্ধন
Uncategorized

আনোয়ারায় দূর্ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩ দফা দাবিতে মানবন্ধন

August 3, 2026
1
জুলাই সনদ নিয়ে জনগণকে ভুল বোঝানো হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
Uncategorized

জুলাই সনদ নিয়ে জনগণকে ভুল বোঝানো হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

August 3, 2026
0
১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার
Uncategorized

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

August 3, 2026
3
দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
Uncategorized

দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

August 3, 2026
3
পাহাড়তলীর আড়তে এক ট্রাকে আসে ১ লাখ ৪৪ হাজার ডিম
Uncategorized

পাহাড়তলীর আড়তে এক ট্রাকে আসে ১ লাখ ৪৪ হাজার ডিম

August 3, 2026
3
Next Post
১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

No Result
View All Result

সাম্প্রতিক

রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না গ্যাস, চট্টগ্রামে দীর্ঘ গ্যাস সংকট

আনোয়ারায় দূর্ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ৩ দফা দাবিতে মানবন্ধন

জুলাই সনদ নিয়ে জনগণকে ভুল বোঝানো হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

১৫ টাকা কেজি দরে চাল পাচ্ছে ৫৫ লাখ পরিবার

চট্টগ্রাম বন্দরের ৪০ শতাংশ সক্ষমতা আটকে আছে পুরোনো কনটেইনারে

দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সম্পাদক ও প্রকাশক

আহমেদ কবির

প্রধান কার্যালয়

ঢাকা ২৮নং রোড, গুলশান ১, ঢাকা, বাংলাদেশ, ১২১২ বাংলাদেশ

কর্পোরোট কার্যালয়

সানি টাওয়ার, এক্স ব্যুরো অফিস এশিয়ান টিভি ২৯১ সিডিএ অ্যাভিনিউ ২য় তলা, লালখান বাজার, চট্টগ্রাম।

আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক

Copyright © 2018-2025: Dainik Orthoniti II Design By : F.A.CREATIVE FIRM LTD

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও

Copyright © 2018-2025: Dainik Orthoniti II Design By : F.A.CREATIVE FIRM LTD

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In