এছাড়া পানিসম্পদ বিভাগের কাছে ২৪ লাখ ৭৭ হাজার ৮৭২ টাকা, শিক্ষা বোর্ডর কাছে ২৪ লাখ ৩২ হাজার ২৯১ টাকা, কৃষি অফিসের কাছে ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৪২২ টাকা, প্রতিরক্ষা বিভাগের কাছে ১৮ লাখ ৬১ হাজার ২৬৯ টাকা, নৌপরিবহন দফতরের কাছে ১৭ লাখ ৭৬ হাজার ৭৩০ টাকা, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের কাছে ১৩ লাখ ৫০ হাজার ৮৮০ টাকা, খাদ্য বিভাগের কাছে ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৪৩ টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ দফতরের কাছে ৮ লাখ ৪৮ হাজার ২৯৭ টাকা, সমাজকল্যাণ কার্যালয়ের কাছে ৮ লাখ ৩৩ হাজার ৩০৫ টাকা, টিচার্স ট্রেনিং কলেজের কাছে ৮ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৮ টাকা, শ্রম ও কর্মসংস্থান দফতরের কাছে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৬১৬ টাকা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিভাগের কাছে ৬ লাখ ৪৫ হাজার ৭৩৬ টাকা, ধর্ম বিভাগের কাছে ৬ লাখ ১৪ হাজার ৩৮৩ টাকা, সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের কাছে ২ লাখ ৮৯ হাজার ৭৭০ টাকা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কাছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৮১১ টাকা, বাণিজ্য বিভাগের কাছে ২ লাখ ২ হাজার ৯৭৫ টাকা, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭০৮ টাকা, যুব ও ক্রীড়া বিভাগের কাছে ১ লাখ ৪৯ হাজার ১১৮ টাকা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কাছে ৬৫ হাজার ৯৬৪ টাকা, তথ্য বিভাগের কাছে ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কাছে ৪৩ হাজার ৩৩১ টাকা, বস্ত্র ও পাট বিভাগের কাছে ৩৯ হাজার ৮৬২ টাকা এবং সাংস্কৃতিক বিষয়ক বিভাগের কাছে ৪ হাজার ৩৩০ টাকা বকেয়া রয়েছে।
বেসরকারি খাতের বড় বকেয়াধারীদের মধ্যে এশিয়ান পেপার মিলসের মোহাম্মদ আবদুস সালামের কাছে ওয়াসার পাওনা ৩৮ লাখ ১৪ হাজার ২১৬ টাকা। অবসরপ্রাপ্ত মেজর আব্দুল মান্নানের মালিকানাধীন গোল্ডেন হরাইজন লিমিটেড ও সানফ্লাওয়ার গার্মেন্টস লিমিটেডের কাছে মোট বকেয়া ৬৬ লাখ ২২ হাজার ৪০৮ টাকা। এছাড়া সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল লিমিটেডের কাছে পাওনা রয়েছে ৩০ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫৬ টাকা।
চট্টগ্রাম ওয়াসার শীর্ষ ২০টি বেসরকারি সংযোগের বকেয়ার তালিকায় নাম রয়েছে আব্দুল হামিদের, যার কাছে বকেয়ার পরিমাণ ৮৭ লাখ ৮৫ হাজার ৪০৬ টাকা। এরপর রয়েছে দ্য কোস্টাল সি ফুডস লিমিটেডের ৩২ লাখ ৮৮ হাজার ২৫৪ টাকা, হিরো সাইকেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ৩১ লাখ ৫২ হাজার ৪৩১ টাকা, কোস্টাল সি ফুডস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ২৯ লাখ ৮৫ হাজার ৬১২ টাকা, আলহাজ্ব কালামিয়ার ২৭ লাখ ৬৫৪ টাকা, মেসার্স ট্রিটমেন্ট সেন্টারের ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ২৭১ টাকা, জেমসন আর.সি.এম. হাসপাতালের ১৯ লাখ ৩৪ হাজার ৮০ টাকা, মনজুর হাসানের ১৬ লাখ ৬৯ হাজার ১০০ টাকা, মিসেস ফিরোজা বেগমের ১৬ লাখ ১ হাজার ৪০ টাকা এবং নিট এক্সপোর্ট লিমিটেডের ১৫ লাখ ৮৯ হাজার ৫৩১ টাকা।
তালিকার পরবর্তীতে রয়েছেন মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, যার কাছে ওয়াসার পাওনা ১৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮১২ টাকা, গোলাম কিবরিয়া সরকারের কাছে ১৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৬৫ টাকা, মিসেস রাজিয়া বেগমের কাছে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার ৩৪৯ টাকা, সৈয়দ ফজলুল করিমের কাছে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ২৫৬ টাকা, গোবিন্দ চন্দ্র শীলের কাছে ১৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৬২ টাকা, রশিদ মিয়ার কাছে ১৩ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৮ টাকা, আব্দুল মোতালেবের কাছে ১৩ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৮ টাকা, মো. কাসেম আলীর কাছে ১৩ লাখ ২৯ হাজার ১৬১ টাকা, মো. সিরাজুল হকের কাছে ১৩ লাখ ২৫ হাজার ৯৪৫ টাকা এবং মিসেস রওশন আরা বেগমের কাছে ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৩ টাকা বকেয়া রয়েছে।
ওয়াসার প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রুমন দে বলেন, বকেয়া আদায়ে ওয়াসা কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং শুরু হয়েছে। এছাড়া সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নোটিশ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। আশা করছি আগামী সপ্তাহের মধ্যে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন জোনে ভাগ করে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে ফোনে যোগাযোগ করে তাদের বকেয়া অর্থের কথা বলা হয়েছে। বকেয়া আদায় না হলে ওয়াসা কর্তৃপক্ষ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার মত কঠোর অবস্থানে যাবে। এরই মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্নকারী টিমও গঠন করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম বলেন, পানির উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও আমরা নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ বকেয়া নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রভাব ফেলছে। তাই বকেয়া আদায়ে আমরা কঠোর অবস্থানে যাচ্ছি। পাওনা পরিশোধ না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






