আমেরিকানদের বিভিন্ন আবিষ্কার, অগ্রগতি এবং সেই সাথে গান, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিতে দেশটির আধিপত্যের কথা তুলে ধরার সময় ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আমেরিকানরা বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে সবচেয়ে বেশি অলিম্পিক মেডেল এবং সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার জিতেছে। এর পরপরই তিনি আক্ষেপের সুরে যোগ করেন, তবে, তারা আমাকে একটিও দেয়নি।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে ‘আটটি যুদ্ধ’ মিটমাট করা সত্ত্বেও তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়নি; যদিও এটি তার প্রায়শই বলা একটি অতিরঞ্জিত দাবি। উল্লেখ্য, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য এবং শান্তিতে মানবজাতির সর্বোচ্চ কল্যাণে অবদানের জন্য এ পর্যন্ত ৪২০ জনেরও বেশি মার্কিন নাগরিক নোবেল পেয়েছেন, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ।
তবে শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। গত জানুয়ারিতে তিনি তার মেডেলটি ট্রাম্পকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও নোবেল কমিটি দ্রুতই স্পষ্ট করে দেয় যে, এটি সম্পূর্ণ একটি প্রতীকী বিষয় মাত্র। সেসময় এক বিবৃতিতে কমিটি জানায়, পদক বা পুরস্কারের অর্থ যার কাছেই যাক না কেন, ইতিহাসে প্রকৃত বিজয়ী হিসেবে মূল প্রাপকের নামই লিপিবদ্ধ থাকবে।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে প্রেসিডেন্টের এই আকাঙ্ক্ষার কথা হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ ব্যক্তিদের বেশ ভালোভাবেই জানা। গত আগস্টে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের এক সাবেক সহযোগী জানিয়েছিলেন, ট্রাম্প এই পুরস্কারটিকে তার ঐতিহাসিক পরিচয়ের ‘চূড়ান্ত স্বীকৃতি’ হিসেবে বিবেচনা করেন। ইতিহাসে এ যাবত কেবল দুজন ক্ষমতাসীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল পেয়েছেন—১৯২০ সালে উড্রো উইলসন এবং ২০০৯ সালে বারাক ওবামা।







