সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের অনুসন্ধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবারও তথ্য ও নথি চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
গত ১১ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠানো এক চিঠিতে ৩০ জুনের মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য ও রেকর্ডপত্র সরবরাহ করতে বলা হয়।
দুদক জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে এবং সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী সব তথ্য না পাওয়া গেলে আবারও তাগিদপত্র দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম, ঋণখেলাপিদের ছাড় দিতে নীতিমালা জারি, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, হলমার্ক জালিয়াতি এবং এস আলম গ্রুপসহ বিভিন্ন ব্যাংক ঋণ কেলেঙ্কারির সুযোগ দেওয়ার অভিযোগের অনুসন্ধানে এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে।
২০১৬ ও ২০২০-২০২৪ সালে সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট ও লার্জ রিসিডিউল/রিস্ট্রাকচার এর ক্ষেত্রে ইস্যুকৃত সব অনুমোদনের সত্যায়িত কপি চেয়েছে দুদক।
এছাড়া, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সদস্যদের তথ্য, প্রণোদনা ঋণ সুবিধাভোগী প্রতিষ্ঠানের তালিকা, এস আলম গ্রুপকে ব্যাংকের মালিকানা দেওয়ার অনুমোদনসংক্রান্ত নথি এবং রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাইবার নিরাপত্তা উপদেষ্টা তানভীর দোহার অনুসন্ধান প্রতিবেদনও তলব করেছে।
সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সময় এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোকে টাকা ছাপিয়ে দেওয়ার অনুমোদন বা নোট শিটের সত্যায়িত কপিও চেয়েছে দুদক।
অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য দুদকের উপপরিচালক মো. মোমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল কাজ করছে।







