দ্য হিন্দুর এক প্রতিবেদনে দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরপরই হাসপাতালে নেওয়ার পর গুরুতর অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়াও আহত মোট ৬৭ শ্রমিককে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তিরুভাল্লুরের জেলা প্রশাসক এস. কবিতা জানান, আহতদের মধ্যে ৪৬ জন ভেলস হাসপাতালে এবং ২১ জন ভেঙ্কটেশ্বরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অব্স্থায় রয়েছেন।
তবে ওই কারখানায় কিভাবে অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক হয়েছে এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত করছে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।







