দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে ৫১ রান যোগ করেন। শান্ত ৫০ বলে ২৪ রান করে আউট হন ম্যাট রেনশোর বলে। কিছুক্ষণ পর একই বোলারের শিকার হন তামিমও। তার ব্যাট থেকে আসে ২০ বলে ১৯ রান। ৬১ রানে তৃতীয় উইকেট হারিয়ে তখন বিপাকে বাংলাদেশ।
এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন হৃদয় ও লিটন। দুজন মিলে চতুর্থ উইকেটে ৯২ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে ইনিংসকে শক্তিশালী করেন। ব্যক্তিগত ৪৮ রানে পৌঁছে পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন লিটন। এরপর ক্রিজে এসে হৃদয়ের সঙ্গে আরেকটি দারুণ জুটি গড়েন মোসাদ্দেক হোসেন।
পঞ্চম উইকেটে হৃদয় ও মোসাদ্দেকের ব্যাটে যোগ হয় ৯৩ রান। এই জুটির ওপর ভর করেই বড় সংগ্রহের ভিত্তি পায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত তা পূরণ করতে পারেননি হৃদয়। বেন দারউইশের বলে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৮৮ বলে ৮টি চার মেরে ৮৩ রানের চমৎকার ইনিংস খেলেন তিনি।হৃদয়ের বিদায়ের পর শেখ মাহেদী হাসান বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে ফেরেন তিনি। তবে শেষদিকে আবার মাঠে ফিরে আসা লিটন এবং মোসাদ্দেক দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান।
লিটন ১১ বছরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো মিরপুরে ফিফটির দেখা পান। তিনি ৭৮ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছক্কার মার। অন্যদিকে মোসাদ্দেক খেলেন সমান মূল্যবান এক ইনিংস। ৫১ বলে ৫টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
তিন ব্যাটারের ফিফটি এবং হৃদয়ের অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশ ২৭৪ রানের লড়াকু পুঁজি পায়। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ইতোমধ্যে সিরিজ নিশ্চিত করা টাইগাররা এখন অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার অপেক্ষায়।






