বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পেশ করা প্রস্তাবিত বাজেটে এ সুবিধা দেওয়া হলেও সিম বা ই-সিমের সরবরাহ দামের ওপর দিতে হবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়েছে, “আইসিটিকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার এ খাতে ট্যাক্স, ভ্যাট ও লাইসেন্সিং নীতিমালা সংস্কারের ব্যাপক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”
বর্তমানে টেলিযোগাযোগ খাতের করের হার প্রায় ৫০ শতাংশ এবং তথ্য প্রযুক্তি ক্ষেত্রে তা প্রায় ২৫ শতাংশ, এ কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় এ হার অনেক বেশি। তাই এ খাতের বিকাশে সরকার এ ধরনের কর ক্রমান্বয়ে যৌক্তিক হারে কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
“এর অংশ হিসেবে দেশের সাধারণ মানুষের নিকট মোবাইল সেবা আরো সহজলভ্য করার লক্ষ্যে প্রতিটি মোবাইল সিমের ওপর আরোপিত ৩০০ টাকা হারে কর সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি। ফলশ্রুতিতে আগামী অর্থবছরে মোট ১২০০ কোটি টাকা রাজস্ব হ্রাস হবে।”
তবে অর্থবিলে প্রতিটি সিমকার্ড বা ই-সিমের সরবরাহ মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ হারে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবা খাতে উৎসে কর কর্তনের হার ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি কর্তৃক প্রাপ্ত রেভিনিউ শেয়ার, লাইসেন্স ফি বা চার্জের ওপর প্রযোজ্য ২০ শতাংশ উৎসে কর প্রত্যাহার করার প্রস্তাবও করা হয়েছে।







