মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মগবাজারের আল ফালাহ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির পক্ষ থেকে এ বাজেট উপস্থাপন করা হয়। বাজেট প্রস্তাবনা তুলে ধরেন দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য সাইফুল ইসলাম খান মিলন ।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, জনপ্রশাসন খাতে সর্বোচ্চ ২ লাখ ২ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ২৪ দশমিক ০৯ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে। এ খাতে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৭৫ কোটি টাকা বা মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ ব্যয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
ঋণের সুদ পরিশোধের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ রাখতে বাধ্য হয়েছে দলটি। এর পরিমাণ ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট প্রস্তাবিত বাজেটের ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৬৫ হাজার ৩৪০ কোটি টাকা বা ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ বরাদ্দের রূপরেখা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া জনস্বাস্থ্য রক্ষায় স্বাস্থ্য খাতে ৪৫ হাজার ২৪০ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং তৃণমূলের উন্নয়নে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৫ হাজার ২২০ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে।
অন্যান্য খাতের মধ্যে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিরক্ষা খাতে ৪৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা বা ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা খাতে ৩৪ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ১০ শতাংশ এবং দেশের শিল্প ও উৎপাদন সচল রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ২৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকা বা ২ দশমিক ৯৭ শতাংশ বরাদ্দ ধরা হয়েছে।







