দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাটির বৈশিষ্ট্য ও গুণাগুনে ভিন্নতা থাকায় স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৃক্ষরোপণের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে শনিবার সকালে বৃক্ষরোপন সংক্রান্ত এক সভায় কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী এই পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, “দেশের সব অঞ্চলের মাটির বৈশিষ্ট্য এক নয়। যে এলাকায় যে ধরনের মাটি ও পরিবেশ রয়েছে, সে অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে হবে।
“এতে গাছের বেঁচে থাকার হার বাড়বে এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব দিন দিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঋতুচক্রেও দেখা যাচ্ছে পরিবর্তন। আগে জুন মাস এলেই নিয়মিত বৃষ্টিপাত হত, কিন্তু এখন সেই চিত্র অনেকটাই বদলে গেছে। প্রকৃতির এই বিরূপ আচরণের পেছনে বনাঞ্চল ও গাছপালা কমে যাওয়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, “পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।”
আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন করবে সরকার। এই বৃক্ষরোপন কীভাবে হবে তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
‘১৪ জুন কক্সবাজারে উদ্বোধন’
আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপনের যে কর্মসূচি সরকার হাতে নিয়েছে, তার সূচনা হবে কক্সবাজার দিয়ে। কক্সবাজারের দুলহাজরায় এই কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকারের এই উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বৈঠকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এতিন সভায় পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পরিবেশ সচিব রায়হান কাওছার, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক লুৎফুর রহমান, অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল হক, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী ও ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচি সেলের সদস্য জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।






