ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কমানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিইআরসির ঘোষণা অনুযায়ী, এবার প্রতি কেজি এলপিজির খুচরা মূল্য ১৫৭ টাকা ০৬ পয়সা নির্ধারণ করেছে, যা মে মাসে ছিল ১৬১ টাকা ৭১ পয়সা।
বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে সৌদি আরামকোর কন্ট্রাক্ট প্রাইসের (সিপি) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় বাজারে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
জুন মাসের জন্য সৌদি আরামকো প্রোপেনের সিপি প্রতি টন ৭৬০ ডলার এবং বিউটেনের সিপি প্রতি টন ৮২০ ডলার নির্ধারণ করেছে। বিইআরসি ব্যবহৃত ৩৫:৬৫ অনুপাতে প্রোপেন-বিউটেন মিশ্রণের ভিত্তিতে ওজনভিত্তিক গড় সিপি দাঁড়িয়েছে প্রতি টন ৭৯৯ ডলার, যা মে মাসে ছিল ৭৮২ দশমিক ৫ ডলার।
নতুন দাম অনুযায়ী, সাড়ে ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮৬৪ টাকা, সাড়ে ১২ কেজির দাম ১ হাজার ৯৬৩ টাকা, ১৫ কেজির দাম ২ হাজার ৩৫৬ টাকা, ২০ কেজির দাম ৩ হাজার ১৪১ টাকা এবং ৪৫ কেজির দাম ৭ হাজার ৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি অটোগ্যাসের ভোক্তা পর্যায়ের দামও প্রতি লিটারে ২ দশমিক ৫৯ টাকা কমিয়েছে। ফলে মে মাসের ৮৯ টাকা ৫২ পয়সা থেকে কমে নতুন দাম হয়েছে প্রতি লিটার ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা।
পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহকৃত এলপিজির মূল্য তরল অবস্থায় প্রতি কেজি ১৫৩ টাকা ৩১ পয়সা এবং গ্যাসীয় অবস্থায় প্রতি ঘনমিটার ৩৪০ টাকা ৭০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সরবরাহকৃত এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতা পর্যায়ে সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্য আগের মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা বহাল রয়েছে।







