সাইজ অনুযায়ী দাম বাড়ার কথা থাকলেও বাস্তবে সেই সুবিধা মিলছে না বলে অভিযোগ মৌসুমি ব্যবসায়ীর
আতুরার ডিপোতে চামড়া নিয়ে আসা মৌসুমি ব্যবসায়ী মো. জয়নাল জানান, গ্রাম থেকে বড় চামড়া ৩৫০ টাকা দিয়ে কিনেছি। গাড়ি ভাড়া, শ্রমিক খরচ আলাদা। এখানে এসে আড়তদার বলছে ১৫০-২০০ টাকার বেশি হবে না। তাহলে আমরা লাভ করবো কীভাবে?
কাঁচা চামড়ার আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. মুসলিম উদ্দিন জানান, চামড়া কিনে পরিষ্কার করে লবণ দিতে হয়। সব মিলিয়ে একটি লবণযুক্ত চামড়া কারখানা পর্যন্ত পৌঁছাতে খরচ পড়ে প্রায় ৪৫০ টাকা। এখন মৌসুমি ব্যবসায়ী যে দামে চামড়া কিনেছে সে দামে নিতে পারছি না।
চট্টগ্রামের পুরনো চামড়া ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি বছর ঈদের সময় মৌসুমি ব্যবসায়ীরা আশায় বুক বেঁধে বাজারে নামেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দামের ধাক্কায় অনেকেই লোকসানের বোঝা নিয়ে বাড়ি ফেরেন। ফলে জাতীয় সম্পদ হিসেবে পরিচিত কোরবানির চামড়ার বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরাতে কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।






