কোরবানি ঈদের বাকি আর মাত্র ৬ দিন। এরই মধ্যে বেড়েছে মাংস রান্নায় ব্যবহৃত নানা রকম মসলার চাহিদা। একইসঙ্গে বেড়েছে দামও। চট্টগ্রামে পেঁয়াজ, রসুনের দাম কমলেও বেড়েছে আদার দাম; এদিকে খুলনায় ঊর্ধ্বমুখী মাংসের দাম।
ঈদুল আজহায় পশু কেনার পাশাপাশি সমানতালে মসলার বাজারে ছোটেন ক্রেতারা। নানা পদের মাংস রান্নায় প্রয়োজন হরেক রকম মসলার। ফলে এসময় চাহিদা বাড়ে কয়েকগুণ।
বিক্রেতারা জানান, গেলোবারের তুলনায় তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় এবার মসলার চাহিদা ও সরবরাহ অনেক বেশি; বেচাকেনাও জমজমাট।
এ সপ্তাহে পেঁয়াজ, রসুনের দাম কমলেও বেড়েছে আদার দাম। প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ১৭০ টাকায়। পেয়াজ ৩৫-৪০ টাকা, রসুন ১১০ টাকায়।
এছাড়া জিরার কেজি ৬০০, এলাচ ৪ হাজার ৩০০, দারচিনি ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব মসলার পাশাপাশি কাবাব মসলা, বোরহানি মসলা, বিরিয়ানি মসলা, হালিম মসলাসহ নানা রকম মসলার চাহিদাও বেড়েছে।
খুলনায় বেড়েছে মাংসের দাম। গরু বা মুরগির মাংসের বাজার এখন উত্তপ্ত। গেলো সপ্তাহের তুলনায় প্রতি কেজি গরুর মাংসে ৫০ টাকা বাড়িয়ে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে ৮০০ টাকায়।
বিক্রেতারা বলছেন, কোরবানির ঈদের কারণে গরুর সরবরাহ অনেকটাই কমে গেছে। এদিকে, একই অবস্থা মুরগির বাজারেও ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজিতে ১০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি করা হচ্ছে ২০০ টাকায়।
সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার কারণে বাজারে সরবরাহ কমায় ঝালকাঠিতে ঊর্ধ্বমুখী মাছের দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে সব ধরনের মাছে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
এদিকে, পাবনায় বেড়েছে সব ধরনের সবজির দাম। প্রতি কেজি সবজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। বাজারগুলোতে সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকার পরেও দাম বাড়ার কারণ বের করতে বাজার মনিটরিংয়ের দাবি ক্রেতা সাধারণের।







