এর আগে শনিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তির বেশিরভাগ বিষয় নিয়ে সমঝোতা হয়ে গেছে। সেই চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথাও রয়েছে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পার্টার জ্যেষ্ঠ তেলবাজার বিশ্লেষক জুন গোহ আল জাজিরাকে বলেন, মূল পরিস্থিতিতে তেমন পরিবর্তন হয়নি। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ১ থেকে ১.১ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তবে বাজার আশা করছে, চুক্তি হলে আটকে থাকা জাহাজগুলো থেকে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল আবার বাজারে আসবে।
গোহের মতে, চুক্তি চূড়ান্ত হলেও বাজার কিছু সময় অস্থির থাকবে। তিনি বলেন, সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে এখনও তিন থেকে ছয় মাস সময় লাগতে পারে। উৎপাদন ও রিফাইনারি পুরোপুরি চালু হতেও সময় লাগবে।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি অবরোধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল বাণিজ্যের প্রায় পাঁচ ভাগের একভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অন্যদিকে এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলোতে নিজস্ব অবরোধ চালু করেছে, যা ওই জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে আরও বাধা সৃষ্টি করেছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা







