সরকারের ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২৮ মে ঈদুল আজহার দিন সাধারণ ছুটি। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা হয়। পরে গত ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
যেসব সেবা ছুটির আওতার বাইরে:
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর পরিচালনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবাসহ জরুরি পরিষেবাগুলো ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক-কর্মচারী এবং ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন অফিসও চালু থাকবে।
ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। আর আদালতের কার্যক্রম নিয়ে নির্দেশনা দেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানার ছুটির বিষয়ে ‘বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬’ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।







