কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম। ভোজ্য তেলের দাম বৃদ্ধির পর সপ্তাহ ঘুরতেই লাফিয়ে বাড়ছে আদা-রসুন-পেঁয়াজের দাম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে চাহিদার চেয়ে এসব পণ্যের সরবরাহ কম। এর সাথে বেড়েছে পরিবহন খরচ। তবে তা অজুহাত হিসেবে দেখছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন-ক্যাব।
গেল সপ্তাহেও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে মানভেদে কেজিপ্রতি আদা বিক্রি হয়েছে ৯০-৯৫ টাকা। আর চলতি সপ্তাহে শতকরা ৩৩ থেকে ৪২ ভাগ দাম বেড়েছে আদার। একই সাথে সপ্তাহ জুড়ে অস্থিরতা রসুনের বাজারেও। কেজিতে ১৫-২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১২০-১২৫ টাকায়। পেঁয়াজের বাজার কিছুটা নাগালের মধ্যে থাকলেও গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে বেড়েছে ৩-৫ টাকা।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের সৌমিক টেডার্সের মালিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘কোরবানি ঈদ ঘিরে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যো সামঞ্জস্য না থাকলে পণ্যের দাম আরও বাড়তে পারে। পেঁয়াজের তুলনায় এবার আদা-রসুনের সংকট বেশি হওয়ার আশঙ্কা তাদের। জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বাড়ায় এর প্রভাবও বাজারে পড়ছে।’
এদিকে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি বা পরিবহন খরচের কারণে দাম বৃদ্ধিকে ব্যবসায়ীদের অজুহাত বলে মনে করছে ক্যাব। তারা বলছে, তদারকির অভাবে সুযোগ বুঝে এসব দরকারি পণ্যের দাম বাড়ানো হয়।
ক্যাবের সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘কারসাজি করে পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে। প্রশাসনের সঠিক তদারকির অভাবে ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে দাম বাড়ায়।’
সাধারণত খাতুনগঞ্জে দৈনিক গড়ে প্রায় ৬০০ টন পেঁয়াজ, ২৫০ টন রসুন ও ২০০ টন আদা বিক্রি হয়। কোরবানির সময় এই বিক্রি আরও ২০-৪০ ভাগ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।






