তিনি বলেন, এই সরকার কৃষকবান্ধব।
শুধু বাসিয়া নয়, দেশের সকল খাল পর্যায়ক্রমে খনন করা হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খালটি খনন করেছিলেন। পরবর্তীতে এটি বন্ধ হয়ে যায়। এই খাল পুনঃখননের মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৮০ হাজার এবং পরোক্ষভাবে দেড় লাখ কৃষক উপকৃত হবেন। এতে প্রায় ৭ হাজার মেট্রিক টন ফসল বেশি উৎপাদন হবে। শুধু খাল খনন নয়, খালের দুই পাশে ফলের গাছ লাগানো হবে যাতে এলাকার মানুষ ফল খেতে পারেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন পর ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা ঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই এই দেশের কৃষক ভাইয়েরা ভালো থাকুক।
এসসয় উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, হুইপ জিকে গউছ।
১৯৭৯ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘খাল কাটা কর্মসূচীর’ আওতায় সর্বশেষ এই নদীটি খনন করেছিলেন। দীর্ঘ ৪৭ বছর পর তার সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে নদীটি পুনরায় খনন হতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাসিয়া নদীর প্রায় সাড়ে ২৩ কিলোমিটার অংশ ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে খনন করা হবে। এর ফলে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, ওসমানীনগর, বিশ্বনাথ ও সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার প্রায় ৯০ হাজার কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্পে নদীটি প্রায় দেড় থেকে দুই মিটার গভীর করা হবে। উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী বাসিয়া নদীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ করেন এবং স্থানীয় জনগণের সাথে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।






