অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকবে। আমরা অনেকগুলো ইস্যু সমাধান করেছি, বাকিগুলো সমাধানে আলোচনা চলবে, এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৫ দিন পর আবার আলোচনা হবে। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তিনি আরো জানান, আমাদের সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান হবে, এর জন্য পদক্ষেপ কী হবে- সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেয়া ঋণের কিস্তি ছাড়ে আশাবাদী অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আলোচনার ভিত্তিতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই বিষয়গুলো সমাধান হবে বলে মনে করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে আইএমএফ সদর দফতরে স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুটি টিমের সঙ্গে বৈঠক হয় অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্ব ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থান করা বাংলাদেশ মিশনের। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যে আলোচনাগুলো হয়েছে, সেগুলো পজিটিভ। অন্য ইস্যুগুলো আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে মেলানো হচ্ছে। আমাদের ব্যাংকের যে সমস্যাগুলো আছে, তা সমাধানে আইএমএফের বিভিন্ন উইং ভূমিকা রাখতে চায়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকবে। আমরা অনেকগুলো ইস্যু সমাধান করেছি, বাকিগুলো সমাধানে আলোচনা চলবে, এটাই সিদ্ধান্ত হয়েছে। ১৫ দিন পর আবার আলোচনা হবে। এরপর আমরা সিদ্ধান্ত নেব। তিনি আরো জানান, আমাদের সমস্যাগুলো কীভাবে সমাধান হবে, এর জন্য পদক্ষেপ কী হবে- সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
আইএমএফ ঋণের কিস্তি ছাড় বিষয়ে না বলে দিয়েছে কী না- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, আলোচনার এ ধরনের কোনো জায়গায় আমরা যাইনি। এখনো আলোচনা চলছে। যে বিষয়গুলো সমাধান হয়নি, সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে। এখানে এখনই হ্যাঁ-না বলার সুযোগ নেই। এটা চলমান প্রক্রিয়া। এটা একদিন বা এক ঘণ্টার বিষয় না।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজার পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়েছে, এদিন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল আইএমএফের সঙ্গে দুটি মিটিং করেছে। প্রথম মিটিংটি হয়েছে সকালে আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন ও তার টিমের সঙ্গে। দ্বিতীয় মিটিং হয়েছে বিকালে আইএমএফের ডিএমডি নাইজেল ক্লার্ক ও তার টিমের সঙ্গে।
আরো জানানো হয়, এসব মিটিংয়ে বর্তমান সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার দৃষ্টিভঙ্গি ও বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয় তুলে ধরেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি ও ব্যাংক-আর্থিকখাতে সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। অধিকাংশ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছেন। দুই পক্ষই সম্মত হয়েছেন, কিছু বিষয় নিয়ে আরও আলোচনা করতে হবে। বিশেষ করে সরাসরি জনগণের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের বিষয়টি তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী।
আইএমএফ পরিস্কার করে বলেছে, আইএমএফ বাংলাদেশের উন্নয়ন অংশীজন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের সময়কালে উন্নয়নের অংশীজন হয়েই আইএমএফ বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায়।






