দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানির চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক ভিড়ছে আমদানি করা জ্বালানির জাহাজ। এসব জাহাজ থেকে দ্রুত জ্বালানি খালাস করতে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রামে বন্দরে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী তিনটি জাহাজ। মঙ্গলবার রাতে এসব জাহাজ এসে পৌঁছায়।
এর মধ্যে একটি জেট ফুয়েল ও দুটি ডিজেলবাহী জাহাজ রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামীম জানিয়েছেন, জাহাজগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে ১২ হাজার টন জেট ফুয়েলবাহী ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’চট্টগ্রাম বন্দরের ডলফিন জেটিতে নোঙর করেছে। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে খালাস প্রক্রিয়া।
এছাড়া ৩৫ হাজার টন ডিজেল নিয়ে নোঙর করে এমটি লুসিয়া সলিস। বন্দরে ভেড়া এমটি টর্ম দামিনিতে রয়েছে আরও ৩৩ হাজার টন ডিজেল।
এর বাইরে দেশের পথে রয়েছে দুটি এলএনজিবাহী জাহাজও। যেগুলো মধ্যে বৃহস্পতিবার একটি এবং ১৮ এপ্রিল অন্যটি পৌঁছানোর কথা।
বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় এই আমদানিকৃত জ্বালানি দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোকে বার্থিং বা নোঙর করার ক্ষেত্রে বন্দর কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে যাতে কোনো বিলম্ব ছাড়াই দ্রুত খালাস কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।







