চট্টগ্রাম বন্দরে ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে কন্টেইনার পাচারের অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
বন্দর সূত্র জানায়, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে একটি কন্টেইনার পাচারের চেষ্টা করা হয়। কন্টেইনারটির এজেন্ট কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স, রোটেশন নম্বর ২৫/৩৮৭১ এবং ভেসেল ‘স্বদেশী চিটাগাং’। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেড।
তবে কন্টেইনারটিতে কী ধরনের পণ্য ছিল তা নিয়ে এখনও কোনও তথ্য দেয়নি বন্দর কর্তৃপক্ষ। তদন্তের পর পণ্য সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বন্দর কর্মকর্তারা।
বন্দর সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার ভোরে নিউমুরিং কন্টেনার টার্মিনাল (এনসিটি) ব্যাকআপ ইয়ার্ড থেকে ভুয়া অন–চেসিস অনুমতিপত্র, চালান ও গেটপাস ব্যবহার করে পণ্য বোঝাই একটি কন্টেনারটি ট্রেইলরে করে বের করে নেয়া হয়। পরবর্তীতে জানা যায় যে, কাগজপত্রগুলো ভুয়া। কন্টেনারটি সংঘবদ্ধ একটি চক্র বের করে নিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক মাঠে নামে বন্দরের নিরাপত্তা বিভাগ। দিনভর তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার গোয়েন্দা অনুসন্ধান শেষে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ হালিশহরের বারনীঘাট এলাকাস্থ শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশের একটি গ্যারেজে অভিযান চালিয়ে ট্রেইলরসহ কন্টেনারটি উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় কন্টেনারটি পাচারের সাথে জড়িত ব্যক্তিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় বলে বন্দর সচিব জানান।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এই ব্যাপারে উচ্চ পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার পাশাপাশি বন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও সচিব জানান। তবে মামলা রেকর্ড করতে কিছুটা সময় লাগার কথা উল্লেখ করে বন্দর থানা পুলিশ জানিয়েছে, কন্টেনারটি ভিতরে কি মালামাল রয়েছে তার প্রত্যেকটির বিবরণ লাগবে। এজন্য বন্দর এবং কাস্টমস যৌথভাবে কন্টেনারটি খোলার পর প্রয়োজনীয় তালিকা তৈরি করে মামলা রেকর্ড করতে হবে।
প্রদা/ডিও






