চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশিয়া থেকে ২৭,৩০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে আসছে ট্যাংকার ‘পিভিটি সোলানা’। বন্দরের বহির্নোঙ্গরে জাহাজটির আগমনের কথা ছিল গতকাল সোমবার। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে আজ মঙ্গলবার এটি বন্দরের ডলফিন জেটিতে বার্থিং করবে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে এটি এ মাসে ডিজেল নিয়ে বন্দরে ভেড়া অষ্টম জাহাজ।
ভোররাত ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী ‘পিভিটি সোলানা’ জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মোরশেদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, “জাহাজটি থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে তেল খালাস করা হতে পারে। প্রয়োজন হলে সরাসরি ডলফিন জেটিতে বার্থিং করেও তেল খালাস করা হবে। তবে কীভাবে তেল খালাস করা হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এর এক কর্মকর্তা জানান, সমুদ্রপথের পাশাপাশি ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ইতোমধ্যেই সাত হাজার টন ডিজেল দেশে এসেছে। তবে ৩১ মার্চ আরও একটি পার্সেল আসার কথা থাকলেও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার কারণে সেটি কয়েকদিন পরে পৌঁছাবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসের ৩ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত বন্দরে এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল ও বেস অয়েলসহ মোট ৩৩টি জাহাজ এসে পণ্য খালাস করেছে। পিভিটি সোলানা সোমবার আসছে এবং আগামী ৪ এপ্রিল এলএনজি নিয়ে আরেকটি জাহাজ বন্দর পৌঁছাবে। এর আগে ২৬ মার্চ ৩১,০০০ টন পরিশোধিত ডিজেল নিয়ে একটি জাহাজ বন্দর খালাস করেছে।
এছাড়া বন্দর সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ৭০ হাজার টন এলএনজি নিয়ে ৪ এপ্রিল আরও একটি জাহাজ ভিড়তে পারে।
এ নিয়ে গত এক মাসে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি নিয়ে ৩৩টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে। এর মধ্যে জ্বালানি তেল নিয়ে এসেছে ১৫টি জাহাজ, এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) নিয়ে এসেছে ৮টি জাহাজ এবং এলপিজি (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) নিয়ে এসেছে ৯টি জাহাজ।







