এর আগে গত ২৬ থেকে ২৭ মার্চ দুদিন সরকারি ছুটিতে বন্দর বন্ধ ছিল।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি-রফতানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি আমিনুল হক জানান, আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ছুটির কারণে সীমান্তের দুপাশে সৃষ্টি হয়েছে পণ্যজট। শনিবার সকাল থেকে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম ও পণ্য খালাস শুরু হওয়ায় কমতে শুরু করছে পণ্যজট। বন্দরে পণ্য লোড-আনলোডের জন্য দুই হাজার শ্রমিক কাজে যোগদান করেছেন।
এ ছাড়া ব্যবসায়ী, সিএন্ডএফ এজেন্ট, বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ৯টা থেকে ১টা পর্যন্ত ১২৮ ট্রাক পণ্যের আমদানি হয়েছে। বন্দর থেকে খালাস হয়েছে ৮৭ ট্রাক পণ্য।
এ বিষয়ে বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, ২৬ মার্চ ও ২৭ মার্চ ছুটিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। এ সময় কোনো পণ্য আমদানি হয়নি ভারত থেকে। ছুটি শেষে আজ আবারও দু-দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা ছুটিতে গিয়েছিলেন সবাই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যাতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্য দ্রুত খালাস নিতে পারেন সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
প্রদা/ডিও







