বুধবার (২৫ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে আইএমএফের প্রতিনিধি দল এ সন্তুষ্টির কথা জানায়।
এর আগে, আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যন্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের আর্থিক খাত সংস্কার নিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রস্তাবনা চেয়েছে আইএমএফ। তবে আর্থিক খাতের সব সূচক ইতিবাচক ধারায় থাকায় আইএমএফের ঋণের কিস্তি ছাড়ে কোনো বাধা থাকবে না।
এর আগে ২০২৩ সালে আইএমএফের সঙ্গে প্রথমে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি করে, যা পরে বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার করা হয়। এখন পর্যন্ত আইএমএফের দেয়া পাঁচ কিস্তিতে ৩ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পেয়েছে দেশ, বাকি রয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার।
ঋণের ষষ্ঠ কিস্তি ছাড়ের সময় ছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। তবে তা নতুন সরকারের অপেক্ষায় আটকে যায়।






