মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে হু হু বাড়ছে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম। এতে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরিবহণ ব্যবস্থায় এবং প্লাস্টিক ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনে। সমানতালে ভুগছে কৃষি উৎপাদন; কারণ তেল সংকটে সেচ ব্যবস্থা বন্ধের উপক্রম হয়েছে এবং তীব্র হচ্ছে সার সংকট। দেশে দেশে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পাম্পগুলো।
সোমবার (২৩ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের একটি কৃষি ইউনিয়নের (এনএফইউ) প্রধান জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে কৃষক ও খাদ্য উৎপাদনকারীদের উৎপাদন খরচ ‘বিপুল পরিমাণে’ বৃদ্ধি পাচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি খাদ্য উৎপাদন ব্যয়ের ওপর এর প্রভাব নিয়ে সতর্ক করেছেন।
এনএফইউর প্রেসিডেন্ট টম ব্র্যাডশ বলেন, সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্ত ঝুঁকি কৃষক ও খামারিরাই বহন করছেন। আমরা সার, রেড ডিজেল এবং গ্রিনহাউস গরম রাখার গ্যাসের দামে বিশাল বৃদ্ধি দেখতে পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, এটি দেশের খাদ্য উৎপাদনের খরচের ওপর প্রকৃত প্রভাব ফেলবে।
ব্র্যাডশ যোগ করেন, ‘আমরা স্বীকার করি যে বর্তমানে জীবনযাত্রার ব্যয় সংকট চলছে এবং ভোক্তাদের পক্ষে পণ্যের বাড়তি দাম দেওয়া কঠিন। তবে দীর্ঘমেয়াদে একটি স্থিতিশীল খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে কৃষকদের অবশ্যই তাদের নেওয়া ঝুঁকির বিপরীতে ন্যায্য মুনাফা পেতে হবে।’
তিনি এই পরিস্থিতিকে সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে আসা ‘মুদ্রাস্ফীতির পরবর্তী চক্রের শুরু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।







