২০২৬ সালের প্রথম বিরল মহাজাগতিক দৃশ্যের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিশ্ব। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষে সন্ধ্যার আকাশে একই সারিতে দেখা দেবে সৌরজগতের ছয়টি গ্রহ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সূর্যাস্তের পরপরই এই গ্রহগুলোর সারিবদ্ধতা বা ‘প্ল্যানেটারি অ্যালাইনমেন্ট’ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ওই দিন সন্ধ্যার আকাশে বুধ, শুক্র, শনি, বৃহস্পতি, ইউরেনাস এবং নেপচুন গ্রহগুলো চাঁদের সঙ্গে একই সারিতে অবস্থান করবে।
প্রায় পূর্ণিমার চাঁদের উপস্থিতিতে এই দৃশ্যটি হবে অত্যন্ত মনোরম।তবে সবকটি গ্রহ খালি চোখে দেখা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা গ্রহগুলোকে খুঁজে পাওয়ার কিছু সহজ উপায় জানিয়েছেন।
দক্ষিণ আকাশে বৃহস্পতি গ্রহটি সবচেয়ে উজ্জ্বলভাবে জ্বলবে, যা চাঁদের খুব কাছেই অবস্থান করবে।
এটি খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে সহজ। পশ্চিম আকাশের নিচের দিকে শনি গ্রহকে দেখা যাবে। এর কিছুটা নিচে শুক্র ও বুধ গ্রহ দুটি একে অপরের খুব কাছাকাছি থাকবে। সূর্যাস্তের প্রায় ৪৫ মিনিট পর এগুলো দেখার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
টেলিস্কোপ প্রয়োজন: ইউরেনাস এবং নেপচুন এতটাই দূরে ও ম্লান যে, এগুলো খালি চোখে দেখা সম্ভব নয়। এগুলো দেখতে হলে অবশ্যই শক্তিশালী দূরবীন বা টেলিস্কোপের প্রয়োজন হবে।
এই বিরল দৃশ্য দেখার সুযোগ থাকবে খুব অল্প সময়ের জন্য। পশ্চিম আকাশে থাকা গ্রহগুলো দ্রুত দিগন্তের নিচে নেমে যাবে, তাই সূর্যাস্তের পর দেরি করলে এগুলো আর দেখা যাবে না। বিশেষ করে বুধ গ্রহটি সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় তা দ্রুত দৃশ্যপট থেকে হারিয়ে যাবে।
মার্চের প্রথম রাত পর্যন্ত এই সারিবদ্ধতা কিছুটা বোঝা গেলেও ২৮শে ফেব্রুয়ারিতেই এটি পূর্ণ রূপ পাবে।সূত্র : অ্যাকু ওয়েদার
প্রদা/ডিও