বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় সংস্থাটির তিন কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এইচআরডি থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা পাঠানো হয়।
এতে বলা হয়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সেটা প্রত্যাহার করা হলো। তারা যে বিভাগে কর্মরত ছিলেন সেখানেই বহাল থাকবেন।
এই তিন কর্মকর্তা হলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের নীল দলের সাধারণ সম্পাদক ও এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা, নীল দল থেকে নির্বাচিত বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি একেএম মাসুম বিল্লাহ এবং একই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শ্রাবণ।
বিভিন্ন দাবি, তিন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানো ও বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আজ বুধবার সকালে প্রতিবাদ সভা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন থেকে চারশ কর্মকর্তা।
এসব দাবি না মানা হলে বৃহস্পতিবার থেকে গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে কলম বিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. মোস্তাকুর রহমান।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এই তিন কর্মকর্তার নেতৃত্বে এক আকস্মিক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স কাউন্সিলের পক্ষে সর্বদলীয় কমিটির ব্যানারে। সেখানে তারা বর্তমান গভর্নরের বিভিন্ন নীতি ও সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেন।
বিশেষ করে দুর্বল ব্যাংকের সঙ্গে এক্সিম ব্যাংক ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ এবং ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।
ওই সংবাদ সম্মেলনেই তারা ড. আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ বলে অভিহিত করেন।
প্রদা/ডিও






