জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী এবং কুষ্টিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং সরকারও আন্দোলন দমনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সরকারের অংশ হিসেবে এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাহবুব উল আলম হানিফ সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনি সিদ্ধান্তটি মেনে নিয়ে অধীনস্থদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, তিনি একজন বেসামরিক নেতা ছিলেন। তিনিও তাঁর অধীনস্থদের নির্দেশ দিয়ে, টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে এসব আদেশ বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি যে অবস্থানে আছেন, অ্যাজ জয়েন্ট সেক্রেটারি অব দ্য পার্টি।
একই অবস্থানে থাকা দলের আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিমকে ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন প্রসিকিউটর। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং দলের প্রধান শেখ হাসিনাকেও ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ শাস্তি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
প্রসিকিউটর বলেন, তার উপরের ও পাশের সবাইকে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। একই অবস্থানে থাকায় মাহবুব উল আলম হানিফের বিরুদ্ধেও একইভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে এবং তাকেও একই শাস্তি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন তারা।







