বাজারগুলোতে সপ্তাহ ব্যবধানে শীতকালীন সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে।
এদিকে এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনে পাতা ৩০০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা পিস এবং কেপসিক্যাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি ৩২০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৬০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
শাকের দাম কিছুটা কম বলা যায়। বিভিন্ন বাজারে দেখা যায় লাল শাক আঁটি ১৫ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তবে মাছের বাজার বরাবরের মতোই চড়া। বাজারে দেখা যায়, এক কেজি শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকায়, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা , মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২২০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৬৫০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, পোয়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৪০ টাকায়, কৈ মাছ ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা যায়।
এছাড়া এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
প্রতিনিয়তই দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতি জনজীবনে নাভি:শ্বাস তুলছে বলে জানিয়েছেন বাজারে আসা ক্রেতাসাধারণ।







