দৈনিক অর্থনীতি
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও
No Result
View All Result
দৈনিক অর্থনীতি
No Result
View All Result
Home আন্তর্জাতিক অর্থনীতি

রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলার আধিপত্য হারাচ্ছে?

May 27, 2021
0 0
0
বৈদেশিক সহায়তা: দশ মাসে ৬৫% অর্থ ছাড়

আগামী ১৫ বছরের মধ্যে রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের আধিপত্য আর থাকছে না। চলতি মাসের শুরুর দিকে এমনটাই হুঁশিয়ারি ছুড়ে দিয়েছেন মার্কিন ফান্ড ম্যানেজার ও ধনকুবের স্ট্যানলি ড্রাকেনমিলার। তার ভাষ্যমতে, ইতিহাসে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখনকার মতো আর কখনই এমন পর্যায়ে যায়নি, যেখানে আর্থিক ও মুদ্রানীতির দিক থেকে কোনো কিছু করার কোনো সুযোগ ছিল না।

বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থনীতিতে এখন চাহিদার পরিমাণ অনেক বেশি। মূল্যস্ফীতিও বাড়ছে। এর বিপরীতে বিনিময় হার কমছে ডলারের। বাজারের এমন পরিস্থিতির কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে পুঁজিবাজারেও এ নিয়ে এক ধরনের উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মুদ্রাবাজারে ডলারের আধিপত্য হারানোর আশঙ্কা নতুন কিছু নয়। অন্তত চার দশক ধরে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে অনেক পূর্বাভাস এসেছে। কিন্তু তাই বলে স্ট্যানলি ড্রাকেনমিলারের আশঙ্কাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়াও যায় না। নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে ইউরোপের বিনিময় হার ব্যবস্থা থেকে পাউন্ড স্টার্লিংয়ের দ্রুত বিদায় নেয়ার বিষয়টি তিনি ও হাঙ্গেরীয় ধনকুবের জর্জ সোরোস বেশ ভালোভাবেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন। ১৯৯২ সালের দিকে এমন অনুমানের ভিত্তিতেই বিনিয়োগ কৌশল সাজিয়েছিলেন তারা দুজনে। ফলে সে সময় তারা প্রচুর লাভবানও হয়েছেন।

গোটা বিশ্বেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন একাধিক মুদ্রানির্ভর রিজার্ভ ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। অন্যদিকে ডলারও দীর্ঘমেয়াদে অবমূল্যায়িত হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতকেই সামনে তুলে এনে রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের আধিপত্য হারানোর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ড্রাকেনমিলার। মুদ্রাবাজার ও বিনিয়োগ বিশেষজ্ঞদের কেউই এখন তার এ মতকে উড়িয়ে দিতে পারছেন না। এর কারণ হিসেবে তারা বলছেন, চলমান করোনা মহামারীর আগে থেকেই একটু একটু করে আধিপত্য হারাচ্ছিল ডলার। কভিডের প্রাদুর্ভাবজনিত অস্বাভাবিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়টিকে আরো জোরালো করে তুলেছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক এক জরিপের তথ্যেও এর সমর্থন মিলছে। বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ নিয়ে চালানো ওই সমীক্ষার তথ্য বলছে, ২০২০ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলারের রিজার্ভের মোট পরিমাণ কমেছে ৫৯ শতাংশ। এর মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মোট রিজার্ভে ডলারের পরিমাণ নেমে এসেছে ২৫ বছরের সর্বনিম্নে। এর আগে ১৯৯৯ সালে ইউরো চালুর পর বৈশ্বিক মোট রিজার্ভে ডলারের অংশের পতন হয়েছিল ৭১ শতাংশ।

তবে বর্তমান পরিস্থিতিকে যৌক্তিক বলে মনে করছেন ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলের বিশেষজ্ঞ ব্যারি আইশেনগ্রিন। দীর্ঘদিন ধরে এ বক্তব্যের সমর্থনে যুক্তি দিয়ে এসেছেন তিনি। তার ভাষ্যমতে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবীতে সোভিয়েত প্রভাবমুক্ত দেশগুলোর মধ্যে শিল্পোৎপাদনে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দেশ ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ফলে সে সময় আমদানিকারক ও রফতানিকারকদের মধ্যে বিনিময়ের প্রধান মাধ্যমও হয়ে উঠেছিল ডলার। একই সঙ্গে তা আন্তর্জাতিক ঋণ সম্প্রসারণ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ তহবিলেরও প্রধান মুদ্রা হয়ে উঠেছিল।

বর্তমানে বৈশ্বিক জিডিপিতে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ এক-চতুর্থাংশের নিচে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, অনেকটা এ কারণেও ডলারের ক্রমাবনতিকে অযৌক্তিক ধরে নিয়ে এ বিষয়ে নানা অভিযোগ তুলছেন অনেকে। ষাটের দশকে মার্কিন অর্থনীতির আধিপত্যের সুবাদে ডলারের শক্তিশালী হয়ে ওঠার বিষয়টিকে ‘এক্সরবিট্যান্ট প্রিভিলেজ’ (অতি-আধিক্যের প্রভাবজনিত সুবিধা) হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন তৎকালীন ফরাসি অর্থমন্ত্রী গিকার্ড ডি ইস্টেইং। ওই সময় রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের আধিপত্যের কারণে ঋণ গ্রহণে মুদ্রাটির চাহিদাও ছিল অনেক বেশি। এর বিপরীতে মার্কিন সরকারের জন্য ঋণের ব্যয় (সুদ) ছিল অনেক কম। এ এক্সরবিট্যান্ট প্রিভিলেজের কারণে ফেডারেল রিজার্ভও হয়ে উঠেছিল বৈশ্বিক মুদ্রানীতির নিয়ামক।

আইএমএফের জরিপের পরিসংখ্যান বলছে, ডলার এখন এ সুবিধা ক্রমেই হারাচ্ছে। কারণ ইউরো অঞ্চল থেকে ঋণ গ্রহণকারী দেশগুলো এখন রিজার্ভের জন্য ইউরোর দিকেই ঝুঁকছে বেশি। এর সঙ্গে সঙ্গে চীন ও রেনমিনবির (চীনা মুদ্রা ইউয়ানের আরেক নাম) ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। অন্যদিকে ডলারের নিচ থেকে এ মাটি সরে যাওয়ার ঘটনাটি ঘটছে পর্যায়ক্রমে।

অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও নির্ভরযোগ্যতা হারাচ্ছে ডলার। এর জন্য অনেকে ওয়াশিংটনের মুদ্রানীতিকেও দায়ী করছেন। এ বিষয়ে তাদের মতামত হলো বৈশ্বিক অর্থনীতিতে আধিপত্যকারী দেশ তার অবস্থান হারানোর বিষয়টি অহরহ ঘটে না। অতীতে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে প্রধান অনুঘটক ছিল যুদ্ধবিগ্রহ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা। কিন্তু অর্থনৈতিক ও আর্থিক অব্যবস্থাপনার কারণে শান্তির সময়েও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। ডলারের বর্তমান পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়ানোর কারণ হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডের দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে আসা ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচ্চাভিলাষী আর্থিক নীতি। বর্তমান পরিস্থিতিতে অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন মহলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, অনিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতির কারণে ডলারের অবমূল্যায়ন অব্যাহত থাকবে।

এ বিষয়ে সর্বশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করে বক্তব্য দিয়েছেন সাবেক মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি ও ডেমোক্র্যাট রাজনীতিবিদ ল্যারি সামার্স। গত মাসে এফটিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বাইডেন প্রশাসন এখন সামষ্টিক অর্থনীতিতে আর্থিক দিক দিয়ে চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে কম দায়িত্বশীল নীতি অনুসরণ করছে। ব্যাখ্যা করতে গেলে দেখা যায়, ফেড এখন সম্পূর্ণ নতুন পথে হাঁটছে। আমরা এখন এমন এক অধ্যায় দেখতে পাচ্ছি, যার সঙ্গে পল ভোলকার (১৯৭৯-৮৭ পর্যন্ত ফেড চেয়ারম্যান) পরবর্তীকালের সবকিছুরই বিস্তর ব্যবধান রয়েছে। সেটা পরিমাণগতভাবে হোক বা গুণগতভাবে হোক।

তিনিসহ অন্যান্য বিশেষজ্ঞের ভাষ্যমতে, গত চার দশকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেড যে আস্থার জায়গাটি অর্জন করেছিল, তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, মার্কিন মুদ্রানীতিসৃষ্ট মূল্যস্ফীতির কারণে তাদের ডলারে সংরক্ষিত সঞ্চিতিও মূল্য হারাবে।

বিনিয়োগ বিশ্লেষকদের মতে, মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারে ডলারের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা তৈরির আরো কারণ রয়েছে। মহামারীর কারণে গত বছরের মার্চ থেকে ট্রেজারি মার্কেটও (সরকারি সিকিউরিটিজ মার্কেট) মারাত্মক অস্থিতিশীলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন ট্রেজারি মার্কেটকে সবচেয়ে বেশি তারল্যযুক্ত বিনিয়োগের ক্ষেত্র ধরা হলেও বর্তমানে এ বাজারের তারল্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

গত বছরের মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ আতঙ্কের কারণে শুরুতে মার্কিন ট্রেজারি মার্কেটের দিকে ঝুঁকেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু ৯ মার্চের পর থেকে গোটা পরিস্থিতি বিশৃঙ্খল হয়ে উঠতে থাকে। সে সময় দেশটির ট্রেজারি মার্কেট থেকে (সরকারি বন্ড, বিল ও ট্রেজারি নোট) অনেকটা বিশৃঙ্খলভাবে নগদ মুদ্রার দিকে ঝুঁকে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। ব্যাসেলভিত্তিক ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল সেটেলমেন্টের এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিনিয়োগকারীরা তড়িঘড়ি করে নগদ মুদ্রার দিকে ঝুঁকে পড়ায় হেজ ফান্ডগুলোও তড়িঘড়ি করে ট্রেজারি বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করে। ফলে ট্রেজারি মার্কেটে এক ধরনের বিক্রয়চাপ তৈরি হয় এবং সরকারি বন্ড, বিল ও ট্রেজারি নোটেরও বাজার পড়ে যায়। অথচ মুনাফার আশায় এসব ট্রেজারি ফান্ড এর আগে বাজার থেকে বিপুল পরিমাণে ঋণ নিয়েছিল।

এ অবস্থায় ট্রেজারি ফান্ডগুলোর আর্থিক সক্ষমতা হুমকির মুখে পড়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাদের ঋণদাতারাও ঋণ ফেরত নিতে উদ্যোগী হয়। ফলে ট্রেজারি মার্কেটে বিক্রয়চাপ আরো বেড়ে যায়। নিরাপদ বিনিয়োগের বাজার ক্রমেই অনিরাপদ হয়ে উঠতে থাকে।

এ অবস্থায় ধসে পড়া থেকে সুরক্ষা দিতে বাজারটিতে তারল্যের প্রবাহ বাড়াতে থাকে ফেড। একই সঙ্গে ব্যাংক নীতিতেও ছাড় দেয়ার মাধ্যমে ব্যাপক হারে মূলধন সরবরাহ করা হয়। ফেডের হস্তক্ষেপ বাজারটিকে আপাতত রক্ষা করলেও আরেক আশঙ্কা জন্ম নিয়েছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের অভিমত হলো, এ হস্তক্ষেপের কারণে বাজারটিতে তারল্য সংকট নিয়মিত বিরতিতে ফিরে আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল ঋণ ও জিডিপির অনুপাত এখন রেকর্ড সর্বোচ্চ এসে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে জনগণের হাতে ট্রেজারি সিকিউরিটির পরিমাণ বাড়তে বাড়তে শিগগিরই তা ডিলার ব্যালান্সশিটকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের গুরুত্ব হারানোর পেছনে বড় নিয়ামক হয়ে উঠতে পারে মার্কিন রাজনীতির অকার্যকর ভূমিকা। মার্কিন ব্যবস্থার দুর্বলতাকে অনেক প্রকট করে ফুটিয়ে তুলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে বাইডেন এখন দীর্ঘদিনের মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নীতি বাস্তবায়নের পথে ফিরে গিয়েছেন ঠিকই। কিন্তু ট্রাম্পের আমলের সংরক্ষণবাদ থেকে এখনো বেরিয়ে আসতে পারেননি তিনি।

রিজার্ভ তহবিলের মুদ্রা হিসেবে ডলারের জন্য বিষয়টিকে দুঃসংবাদ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বাইডেন প্রশাসন এখন অভূতপূর্ব এক প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে অনেক আগ্রাসী আর্থিক নীতি গ্রহণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অতীতের অর্থনৈতিক সংকটগুলোর ঠিক পর মুহূর্তে যে ধরনের আর্থিক নীতি নেয়া হয়েছিল, বাইডেনের বর্তমান নীতি তার চেয়েও অনেক বেশি আগ্রাসী। উচ্চপ্রবৃদ্ধির লক্ষ্য সামনে রেখে হাতে নেয়া বাইডেন প্রশাসনের এ আগ্রাসী নীতি ডলারের জন্য কিছুটা স্থিতিশীল পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ShareTweetPin
Previous Post

পিরোজপুরে লোকালয় থেকে চিত্রা হরিণ উদ্ধার

Next Post

প্রথম প্রান্তিকে জি২০ গ্রুপের রেকর্ড বাণিজ্য

Related Posts

দেশ এগোবে না বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সম্মান না থাকলে—তপন চৌধুরী
লীড স্লাইড নিউজ

দেশ এগোবে না বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সম্মান না থাকলে—তপন চৌধুরী

August 31, 2025
4
বেসরকারি খাতে অব্যবহৃত সরকারি অবকাঠামো দিলে আরো উন্নয়ন সম্ভব স্বাস্থ্য খাতে- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
লীড স্লাইড নিউজ

বেসরকারি খাতে অব্যবহৃত সরকারি অবকাঠামো দিলে আরো উন্নয়ন সম্ভব স্বাস্থ্য খাতে- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

August 31, 2025
4
বিজিএমইএ নারী শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে কাজ করবে
আমদানি রপ্তানি

বিজিএমইএ নারী শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে কাজ করবে

August 30, 2025
5
১০ হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধনে যোগ হলো
লীড স্লাইড নিউজ

১০ হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধনে যোগ হলো

August 30, 2025
5
‘রপ্তানিতে কনটেইনার হ্যান্ডেলিং চার্জ প্রভাব ফেলবে নেতিবাচক ’
আমদানি রপ্তানি

‘রপ্তানিতে কনটেইনার হ্যান্ডেলিং চার্জ প্রভাব ফেলবে নেতিবাচক ’

August 30, 2025
4
নিম্ন-কক্ষপথ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন স্টারলিংককে টেক্কা দিতে
লীড স্লাইড নিউজ

নিম্ন-কক্ষপথ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন স্টারলিংককে টেক্কা দিতে

August 30, 2025
4
Next Post
প্রথম প্রান্তিকে জি২০ গ্রুপের রেকর্ড বাণিজ্য

প্রথম প্রান্তিকে জি২০ গ্রুপের রেকর্ড বাণিজ্য

No Result
View All Result

সাম্প্রতিক

দেশ এগোবে না বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি সম্মান না থাকলে—তপন চৌধুরী

বেসরকারি খাতে অব্যবহৃত সরকারি অবকাঠামো দিলে আরো উন্নয়ন সম্ভব স্বাস্থ্য খাতে- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ

বিজিএমইএ নারী শ্রমিকের দক্ষতা বাড়াতে কাজ করবে

১০ হাজার কোটি টাকা বাজার মূলধনে যোগ হলো

‘রপ্তানিতে কনটেইনার হ্যান্ডেলিং চার্জ প্রভাব ফেলবে নেতিবাচক ’

নিম্ন-কক্ষপথ স্যাটেলাইট ইন্টারনেট চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন স্টারলিংককে টেক্কা দিতে

সম্পাদক ও প্রকাশক

প্রধান সম্পাদক: আহমেদ কবির
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : আহমেদ কবির

প্রধান কার্যালয়

ঢাকা ২৮নং রোড, গুলশান ১, ঢাকা, বাংলাদেশ, ১২১২ বাংলাদেশ

কর্পোরোট কার্যালয়

সানি টাওয়ার, এক্স ব্যুরো অফিস এশিয়ান টিভি ২৯১ সিডিএ অ্যাভিনিউ ২য় তলা, লালখান বাজার, চট্টগ্রাম।

আমাদের অফিসিয়াল ফেসবুক

Copyright © 2018-2025: Dainik Orthoniti II Design By : F.A.CREATIVE FIRM LTD

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • বাংলাদেশ অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক অর্থনীতি
  • অর্থনীতি সমাচার
  • মহানগর
  • অপরাধ
  • উপজেলা
  • শেয়ার বাজর
  • অর্থ কথা
  • মুদ্রা বাজার
  • বন্দর ও শিল্পনীতি
  • হাটবাজার অর্থনীতি
  • কর্পোরেট আইকন
  • আমদানি রপ্তানি
  • ফিউচার অর্থনীতি
  • ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প নীতি
  • দুর্নীতি
    • সারাদেশে দুর্নীতি
  • বাণিজ্য
  • ব্যংকিং অর্থনীতি
  • বিবিধ
    • জেলা উপজেলার অর্থনীতি
    • চাকরি
    • দেশ বিদেশ অর্থনীতি
    • শীর্ষ অর্থনীতি
    • শ্রমিক অর্থনীতি
    • জাতীয় অর্থনীতি
    • স্বাস্থ্য খাত
    • শিক্ষাখাত
    • খেলাধুলা
    • টেলিকম ও প্রযুক্তি
    • সারাদেশ
  • ভিডিও

Copyright © 2018-2025: Dainik Orthoniti II Design By : F.A.CREATIVE FIRM LTD

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Create New Account!

Fill the forms bellow to register

All fields are required. Log In

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In